Posts

Showing posts from January, 2026

স্ট্রোকের ২ মাস আগেও শরীর দেয় এই ৫টি ইঙ্গিত! জানুন কী কী

Image
 বর্তমান সময়ে স্ট্রোক একটি নীরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত। অনেক সময় হঠাৎ করেই মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্ট্রোক হওয়ার অনেক আগেই শরীর কিছু সতর্ক সংকেত দেয়। যদি এগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে আগে থেকেই চিকিৎসা নেওয়া যায়, তবে বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব। ১. হঠাৎ মাথা ঘোরা ও ভারসাম্য হারানো বারবার মাথা ঘোরা, হাঁটার সময় ভারসাম্য হারানো কিংবা চোখে ঝাপসা দেখা—এসবই হতে পারে স্ট্রোকের পূর্বাভাস। ২. শরীরের একপাশ অবশ হয়ে যাওয়া হাত বা পায়ের একদিকে ঝিনঝিনি অনুভব করা বা অবশ হয়ে যাওয়া স্ট্রোকের অন্যতম সাধারণ ইঙ্গিত। অনেক সময় মুখও বেঁকে যেতে পারে। ৩. কথা বলতে সমস্যা হওয়া হঠাৎ করে জড়তা নিয়ে কথা বলা, শব্দ বের করতে কষ্ট হওয়া কিংবা অপরের কথা বুঝতে সমস্যা—এগুলোও সতর্কবার্তা। ৪. তীব্র মাথাব্যথা কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে প্রবল মাথাব্যথা হলে তা অবহেলা করা উচিত নয়। এটি মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহের সমস্যা বা রক্তক্ষরণের লক্ষণ হতে পারে। ৫. অতিরিক্ত ক্লান্তি ও বিভ্রান্তি কোনো কারণ ছাড়াই সবসময় অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগা, মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা বা হঠাৎ বিভ্রান্ত হয়ে পড়াও স্ট্রোকের আগাম সিগন্যাল হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর...

ঘুমানোর পজিশন বলে দেবে তুমি আসলে কেমন মানুষ!

Image
 বিজ্ঞান বলে — মানুষ ঘুমের সময় সবচেয়ে সৎ থাকে। জেগে থাকা অবস্থায় আমরা সবকিছু কন্ট্রোল করি, কিন্তু ঘুমালে আমাদের দেহ নিজেই সব বলে দেয়। আপনার ঘুমানোর ভঙ্গি ঠিক সেইভাবেই আপনার ব্যক্তিত্ব, চিন্তাভাবনা এবং মনের লুকানো দিকগুলো প্রকাশ করে। আজ চলুন দেখে নেওয়া যাক আপনি কোন পজিশনে ঘুমান এবং তার মানে কী 👇 🛏 ১. Back Sleeper (চিৎ হয়ে শোয়া) যারা চিৎ হয়ে ঘুমান, তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস একটু বেশিই থাকে। তারা গভীরভাবে চিন্তা করেন, সিদ্ধান্ত নিতে সময় নেন এবং অন্যদের কাছেও মান-সম্মান পেতে চান। ব্যক্তিত্ব: আত্মবিশ্বাসী, ফোকাসড, পরিকল্পনাকারী 🛏 ২. Side Sleeper (কাত হয়ে শোয়া) এরা নরম হৃদয়ের মানুষ। অনুভূতি প্রবল থাকে, দ্রুত বিশ্বাস করে এবং বন্ধুদের মূল্য দেয়। ব্যক্তিত্ব: সেন্টিমেন্টাল, লয়াল, শান্ত স্বভাব 🛏 ৩. Fetal Position (কুঁকড়ে শোয়া) এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘুমানোর পজিশন। যারা কুঁকড়ে ঘুমান তারা নিজেরাই নিজের নিরাপত্তা খোঁজেন এবং নিজের সীমা কারও হাতে ছাড়তে চান না। ব্যক্তিত্ব: ইমোশনাল কিন্তু শক্ত মনের, সিকিউরিটি-প্রিয়, রক্ষাকর্তা🛏 ৪. Stomach Sleeper (উল্টো হয়ে শোয়া) এদের মধ্যে এডভেঞ্চার আর রিস্ক নেওয়ার ...

যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন

Image
  আজকাল প্রায় সব টয়লেটে হাই কমোড ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষেত্রে হাই কমোডের চেয়ে লো প্যান উপকারী। লো প্যানে যেভাবে বসতে হয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সেটিকে বলে ‘স্কোয়াটিং পজিশন’ বা আসন করে বসা। মলত্যাগের সময় এভাবে বসা উপকারী। এতে পেটে জমে থাকা মল ভালোভাবে বের হয়ে যায়, পেট থাকে পরিষ্কার। কিন্তু বাড়িতে কোনো টয়লেটেই লো প্যানের ব্যবস্থা না থাকলে কী করা যায়? এ ক্ষেত্রে সমাধান হলো টয়লেট টুল। এই টুল কমোডে বসার সময় পা রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের টুল আজকাল অনলাইনে কেনা যায়। তবে টয়লেট টুল না পাওয়া গেলে সাধারণ একটি প্লাস্টিকের টুল হতে পারে এর বিকল্প। চাইলে কাঠ দিয়ে বানিয়েও নিতে পারেন। কমোডে বসা অবস্থায় পা দুটি টুলের ওপর রাখলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার কিছুটা উন্নতি হতে পারে। বিশেষ করে শিশু, যাদের পা কমোডে বসা অবস্থায় ঝুলে থাকে, তাদের জন্য এই ব্যবস্থা বেশ উপকারী। ২. হাঁটুন বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে। ২০১৯ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিষণ্নতার সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের ...

অপারেশন থিয়েটারের ভেতর চুলা, পিঠা বানাচ্ছেন নার্সরা

Image
  ফেনী জেনারেল হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে প্রসূতি সেবায় ভয়াবহ রকম অব্যবস্থাপনা চলছে। যেখানে জীবাণুমুক্ত পরিবেশে সিজারিয়ান অপারেশন হওয়ার কথা, সেখানে গত দুই বছর ধরে অপারেশন থিয়েটারই ব্যবহার করা হচ্ছে রান্নাঘর ও বিশ্রামকক্ষ হিসেবে। গ্যাসের চুলায় রান্নাবান্না, অবাধ যাতায়াত ও শৃঙ্খলাহীনতার কারণে সংক্রমণের উচ্চঝুঁকিতে পড়ছেন প্রসূতি মা ও নবজাতকরা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) প্রতিবেদকের হাতে আসা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, হাসপাতালের কয়েকজন নার্স অপারেশন থিয়েটারের কক্ষে গ্যাসের চুলায় পিঠা তৈরি করছেন, অন্যরাও অবাধে আসা-যাওয়া করছেন। ঠিক পাশের কক্ষে চলছে সিজারিয়ান অপারেশন। সেখানেও রোগীর স্বজন ও বহিরাগতদের অবাধে চলাফেরা করতে দেখা গেছে। এর সঙ্গে জড়িত নার্সদের মধ্যে রয়েছেন- নার্সিং সুপারভাইজার নূর জাহান, কল্পনা রানী, হ্যাপী রানী সূত্রধর, সীমা কর্মকার, রত্না বসাক, রানী বালা ও দেলোয়ারা বেগম। হাসপাতালে সেবা নিতে আসা একাধিক প্রসূতির স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালের গাইনি বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন ডা. তাহিরা খাতুন রোজী, ডা. নিলুফা সুলতানা ও ডা. তাহমিনা আক্তার। দীর্ঘদিন ধরে লেবার ওয়ার্ডে এসব অনিয়মের ব্যাপারে ...

ঘন ঘন আঙুল ফোটানোর স্বভাবে শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

Image
 কথা বা কাজের ফাঁকে আঙুল ফোটানোর স্বভাব রয়েছে অনেকেরই। কেউ কেউ একে আঙুল মটকানোও বলে থাকেন। দুই আঙুলের চাপে সৃষ্ট শব্দ শুনে স্বস্তি পান অনেকেই। হাতের জোর যেন ফিরে আসে আঙুল ফোটালে। তবে এই অভ্যাসটি ঘিরে নানাবিধ ধারণা রয়েছে।  কারো কারো মতে এই অভ্যাসে হাতের গাঁটগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আবার কেউ ভাবেন, দুই আঙুলের ঘর্ষণের কারণে এই শব্দ হয়। বছরের পর বছর ধরে এই অভ্যাস নিয়ে নানা ভুল ধারণা জন্মেছে। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, বাস্তব চিত্র মোটেও এমন নয়। সম্প্রতি ফ্লোরিডার অস্থিরোগ চিকিৎসক ডেভিড আব্বাসি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। আঙুল ফোটানো থেকে উৎপন্ন আওয়াজ কীভাবে তৈরি হয়, তার ফলাফল কী, সেসব বিষয়ে বিস্তারিত বলেছেন সেখানে। আঙুল ফোটানোর সময় যে শব্দ শোনা যায়, তা আসলে হাড়ের সঙ্গে হাড়ের সংঘর্ষের কারণে তৈরি হয় না। গাঁটগুলোর ভেতরে যে বিশেষ তরল থাকে, তার মধ্যে গ্যাস মিশে থাকে। হঠাৎ করে আঙুল টানলে বা চাপ দিলে সেই তরলের ভেতরের চাপে হেরফের হয়। তখন ছোট ছোট গ্যাসের বুদবুদ তৈরি হয় এবং মুহূর্তের মধ্যেই ভেঙে যায়। সেই ভাঙনের সময়ই ওই পরিচিত শব্দটি শোনা যায়। অর্থাৎ শব্দটা তৈরি হয় গাঁটের ভে...