Posts

Showing posts from October, 2025

নখে সাদা দাগ কেন হয়, এর কারণ জানলে চমকে যাবেন আপনি!

Image
  আমাদের শরীরের তথা হাতের একটি গুরুত্ব পূর্ণ অংশ নখ৷ কিন্তু মাঝে মধ্যেই আমরা দেখতে পাই নখে বেশ কিছু সাদা দাগ রয়েছে৷ অনেকেই বলেন, শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব নখে সাদা দাগ হয়৷ আর তাতেই আমরা ভয় পেয়ে যাই৷ কিন্তু সত্যিই কি ভয়ের কিছু রয়েছে?চিকিৎসা বিজ্ঞানে নখের সাদা দাগের নাম ‘punctate leukonychia। অধিকাংশ সময়ে এই দাগের আবির্ভাব হয় নখে ধাক্কা বা চোট লাগলে৷ তবে এই আঘাত যে খুব গুরুতর নাও হতে পারে৷ টেবিলে ক্রমাগত নখ দিয়ে আওয়াজ করা বা দাঁত দিয়ে নখ কাটাও এই সাদা দাগ উদ্ভবের কারণ হতে পারে৷ আসলে এই সাদা দাগগুলো হল নখের ক্ষতিগ্রস্ত কোষ৷ কিন্তু আপনার নখটি যদি পুরো সাদা হয়ে যায় তাহলে তা গুরুতর হতে পারে৷ কারণ পুরোপুরি সাদা নখ শরীরের অন্য কোন বড় সমস্যার জানান দিতে পারে৷ যেমন-লিভার সমস্যা, কিডনী সমস্যা অথবা হার্টের সমস্যা৷ এছাড়া যখন এই সাদা দাগগুলো সারি দিয়ে থাকে তখন তা রক্তে প্রোটিনের স্বল্পতাকেই ইঙ্গিত করে৷ তাই সাদা দাগ যদি পুরো নখ জুড়ে থাকে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন৷ Countdown Timer

বাংলাদেশে তরুণদের মধ্যে দ্রুত বাড়ছে ব্লাড ক্যা’ন্সার! অবহেলা নয়, ল’ক্ষ’ণ চিনে রাখুন এখনই

Image
 বাংলাদেশে তরুণদের মধ্যে দিন দিন বাড়ছে ব্লাড ক্যান্সার বা লিউকেমিয়ার প্রাদুর্ভাব। আগে মূলত বয়স্কদের মধ্যে এ রোগ দেখা যেত, কিন্তু এখন ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের মধ্যেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দূষণ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ ও জিনগত কারণ এর পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে। ব্লাড ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ ব্লাড ক্যান্সারের শুরুতে বেশ কিছু লক্ষণ দেখা দেয়, যা অনেকেই সাধারণ অসুস্থতা ভেবে অবহেলা করেন। কিন্তু এগুলো হতে পারে বড় বিপদের ইঙ্গিত— 🔹 দীর্ঘদিন জ্বর থাকা বা বারবার জ্বর আসা 🔹 অল্পতেই ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভব 🔹 অকারণে ওজন কমে যাওয়া 🔹 হাড় ও জয়েন্টে স্থায়ী ব্যথা 🔹 শরীরে সহজে রক্তক্ষরণ বা কালশিটে দাগ 🔹 ঘন ঘন ইনফেকশন হওয়া 🔹 গলা বা বগলে গাঁট ফোলা 🔹 ক্ষুধা হ্রাস ও রাতে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া কেন তরুণরা ঝুঁকিতে? চিকিৎসকদের মতে, আধুনিক জীবনযাত্রায় তরুণরা অনেক সময় রাত জাগা, ফাস্টফুড খাওয়া, ধূমপান ও মাদকাসক্তির মতো ক্ষতিকর অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যাচ্ছে এবং শরীরে ক্যান্সারের কোষ তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। দেরিতে শনাক্ত হলে ভয়াবহ পরিণতি বিশেষজ্ঞরা সতর...

ঘুমের মধ্যে উঁচু জায়গা থেকে নিজেকে পড়তে দেখেন, এমন স্বপ্নের অর্থ কী? জেনে নিন

Image
  স্বপ্ন কে না দেখে? কেউ জেগে, কেউবা ঘুমিয়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জেগে দেখা স্বপ্ন বা দিবা স্বপ্নের কোনো ব্যাখ্যা না থাকলেও ঘুমিয়ে দেখার স্বপ্নের বিভিন্ন অর্থ রয়েছে। সবার ঘুম একরকম হয় না। কেউ শুলেই ঘুমিয়ে পড়েন, কেউবা অনেক রাতেও ঘুমান না।  তবে ঘুম গভীর হলেই আমরা স্বপ্ন দেখি। কিছু স্বপ্ন আমাদের মনে থাকে, কিছু স্বপ্ন ভুলে যাই। স্বপ্ন বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু স্বপ্ন সুখ আর সৌভাগ্যের ইঙ্গিত দেয়। আবার কিছু স্বপ্ন দুঃখের সংকেত দেয়। জীবনের কোনো না কোনো সময় আপনি নিশ্চয়ই নিজেকে উঁচু কিছু থেকে পড়তে দেখেছেন। এমন স্বপ্নের অর্থ কী? পড়ে যাওয়ার সময় কি কিছু ধরার চেষ্টা করার স্বপ্ন দেখেন? স্বপ্নশাস্ত্র অনুযায়ী এর অর্থ হলো, আপনার সম্পর্কটি ঠিক নেই। এতে কিছু সমস্যা আছে। কেউ কেউ আবার পাহাড় থেকে পড়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন মাঝে মাঝে। স্বপ্নশাস্ত্র অনুযায়ী, এমন স্বপ্ন জীবনে চলমান ঝামেলা ও ব্যর্থতার ইঙ্গিত দেয়। উঁচু জায়গা থেকে পড়ে যাওয়ার সময় মাটিতে পা রাখার চেষ্টা করছেন— এমন স্বপ্ন দেখেছেন? এমন স্বপ্নকে বিশেষজ্ঞরা নিজেকে শোধরানোর সঙ্কেত মনে করেন। কেউ কোনো উঁচু জায়গা থেকে পড়ে যাওয়ার স্বপ্ন কেন দেখেন? স্বপ্...

ক্যা'ন্সার হওয়ার এক বছর আগে শরীর যে সংকেত দেয়, জেনে নিন

Image
  নিজস্ব প্রতিবেদন: বুক জ্বালা বা হেয়ার্টবার্নকে আমরা প্রায়ই সাধারণ হজমের সমস্যা মনে করি। তবে চিকিৎসকরা সতর্ক করছেন—এই উপসর্গকে অবহেলা করা বিপজ্জনক হতে পারে। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে চলা বুক জ্বালা হতে পারে একটি মারাত্মক ও দুর্লভ ক্যানসারের পূর্বাভাস, যার নাম ইসোফ্যাজিয়াল ক্যানসার। এই ক্যানসার শরীরে বাসা বাঁধার এক বছর আগেই কিছু পূর্ব লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যা শরীরের আচরণ বা পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। কিন্তু আমরা অনেকেই এসব সংকেতকে গুরুত্ব দিই না। যে লক্ষণগুলো আগেভাগেই দেখা দেয়: * শরীরের যেকোনো জায়গায় চাকা বা গাঁট অনুভব হওয়া * অস্বাভাবিক রক্তপাত * দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা গলা ভাঙা * ওজন হঠাৎ কমে যাওয়া * অতিরিক্ত ক্লান্তি * ত্বকে অস্বাভাবিক পরিবর্তন * হজমে সমস্যা বা বুক জ্বালা উপরের লক্ষণগুলোর কোনোটি যদি দীর্ঘ সময় থাকে, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ইসোফ্যাজিয়াল ক্যানসার কী? এটি খাদ্যনালীর দেয়ালের কোষে তৈরি হওয়া এক ধরনের ক্যানসার। এটি বিশ্বজুড়ে দশম সর্বাধিক দেখা ক্যানসার হলেও এর প্রাথমিক লক্ষণ অনেক সময় অস্পষ্ট থাকে, ফলে রোগ ধরা পড়ে দেরিতে এবং চিকিৎসাও জটিল হয়ে ওঠে। এই ক্যান...

আকাশভর্তি উল্কাবৃষ্টি দেখতে জেগে থাকুন আজ রাতে, দেখা যাবে বাংলাদেশ থেকেও

Image
  আকাশপ্রেমীদের জন্য সুখবর! আজ রাত (২০-২১শে অক্টোবর) থেকেই শুরু হচ্ছে বছরের অন্যতম আকর্ষণীয় অরিওনিড উল্কাবৃষ্টির সর্বোচ্চ পর্যায়। বাংলাদেশ থেকেও এই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। বিখ্যাত হ্যালির ধূমকেতুর রেখে যাওয়া ধূলিকণা থেকে সৃষ্ট এই আলোর খেলা এবার সম্পূর্ণ চাঁদহীন অন্ধকার আকাশে উপভোগ করা যাবে। কখন ও কীভাবে দেখা যাবে: যদিও আজ রাত থেকেই উল্কাবৃষ্টি শুরু হচ্ছে, তবে মূল সর্বোচ্চ পর্যায় থাকবে ২১ থেকে ২৩শে অক্টোবর পর্যন্ত। বাংলাদেশ থেকেও দেখা যাবে এই মহাজাতিক বিস্ময়। উল্কা দেখার সবচেয়ে ভালো সময় হবে মাঝরাতের পর থেকে ভোরের ঠিক আগে পর্যন্ত। এই সময়ে অমাবস্যা থাকায় আকাশে চাঁদ থাকবে না। ফলে কোনো প্রাকৃতিক আলোর দূষণ ছাড়াই এই মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করা যাবে। সর্বোচ্চ পর্যায়ে ঘণ্টায় ১০ থেকে ২০টি পর্যন্ত উল্কা বা শুটিং স্টার দেখা যেতে পারে। এই উল্কাগুলোকে কালপুরুষ মণ্ডল বা অরিয়ন নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত উজ্জ্বল লাল নক্ষত্র আর্দ্রা এর কাছ থেকে ছড়িয়ে পড়তে দেখা যাবে। বাংলাদেশে এই নক্ষত্রমণ্ডলটি মাঝরাতের পর পূর্ব দিকে উদিত হয় এবং ভোরের দিকে দক্ষিণ-পূর্ব আকাশে বেশ উঁচুতে অবস্থান করে। দেখার জ...

হোটেলের বিছানার চাদর-বালিশ সাদা হয় কেন, অনেকেই জানেন না

Image
 বেড়াতে গিয়ে যে হোটেলেই উঠুন না কেন, সেখানকার বিছানার চাদর, বালিশ সব কিছুই সাদা। একটা বা দুটি নয়, প্রায় সব হোটেলেই এমনটি হয়। কখনও মনে প্রশ্ন জেগেছে কি এরকম কেন করা হয়? এর পিছনে রয়েছে বেশ কিছু যুক্তি ও কারণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই কারণগুলি। ১) ১৯৯০ সালে হোটেলের রুমে সাদা চাদর-বালিশ-তোয়ালের বহুল ব্যবহার শুরু হয়। ওয়েস্টিন এবং শেরাটন হোটেলের ভাইস প্রেসিডেন্ট অব ডিজাইন, এরিন হুভারের মতে সাদা বিছানা অতিথিদের মনে একটি আনন্দ অনুভূতি সৃষ্টি করে। রুমে প্রবেশ করা মাত্রই অতিথিদের মনে হয় এই মাত্র রুমটিকে পরিষ্কার করে গুছিয়ে রাখা হয়েছে। তাই এই সাদা চাদরের ব্যবহার ক্রমাগত বাড়তে থাকে। ২) সাদা রং মানুষের মনে শুভ্রতা এবং পরিচ্ছন্নতার ওপর জোর দেয়। এই রং মনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে বলে মনে করা হয়৷ ৩) সাদা রং আলোর প্রতিফলন ঘটায়৷ যার ফলে হোটলের রুম আরও উজ্জ্বল বলে মনে হয়। ৪) চাদর-বালিশ একটু নোংরা হলে একইসঙ্গে ভিজিয়ে তা ধোওয়া যায়। অন্যান্য রংয়ের হলে একটার থেকে অন্যটাতে রং লেগে যাওয়ার ভয়ও থাকতে পারে। ৫) সাদা রং বিলাসিতার প্রতীক বলেও মনে করেন অনেকে। তাই হোটেল বেশি বিলাসবহুল না হলেও বিছ...

W পজিশনে বাচ্চাকে বসতে দেখলে সাথে সাথে থামাবেন, জেনেনিন কারন

Image
 বাচ্চারা জানে না কোন জিনিসটা তাদের জন্য ভাল এবং কোন জিনিসটা তাদের জন্য খারাপ। উদাহরণসরূপ বলা যায় প্লাস্টিকের খেলনা কামড়ানো, মাটি মুখে দেয়া, মাটিতে খেলা, ধারালো কোন কিছু দিয়ে খেলা অবশ্যই ভাল কিছুর মধ্যে পড়ে না। আপনি যতই তাদের সুরক্ষিত রাখতে চান না কেন, তারা এগুলো করতে চাইবেই। তারা মূলত জানে না এসব করার ফলে তাদের কি কি অসুবিধা হতে পারে। তাই তাদের সবসময় বড়দের নজরদারির ভেতর রাখতে হয়। বাচ্চাদের কোন ক্ষতি হোক আমরা কেউই তা চাই না, তাই যদি কখনও কোন বাচ্চাকে W পজিশনে বসতে দেখেন সাথে সাথে তাকে থামাবেন! কেন? চলুন জেনে আসি- আপনি হয়তো ভাবছেন এভাবে বসলে ক্ষতিটা কি? আগে আপনাদের বসার ধরণটা ব্যাখ্যা করি। এই বিশেষ পজিশনে বসলে পায়ের গোড়ালি শরীরের পেছনের দিকে এবং হাঁটু সামনের দিকে থাকে। হাঁটুর অংশে একটা V এর আকৃতি নেয় এবং দুই পা মিলিয়ে W এর আকার নেয়। এখন বলবো এভাবে বসার ফলে কি কি ক্ষতি হতে পারে। প্রথমত, এভাবে বসলে খুব জলদি শরীরে ক্লান্তি চলে আসে। কারণ এভাবে বসলে প্রচুর শক্তি খরচ হয়। তাই বাচ্চারা অলস অনুভব করবে! এটা বাচ্চাদের পায়ের অঞ্চলকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। পায়ের পেশিকে টান টান করে দিবে যা বাচ্চাদের জ...

চামড়ার নিচে ব্যথাহীন মাংসপিণ্ড কেন হয়? সতর্কতা জরুরি

Image
  অনেকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে চামড়ার নিচে ছোট ছোট মাংসপিণ্ড দেখা যায়। এগুলোতে কোনো ব্যথা থাকে না। হাত দিয়ে স্পর্শ করলে মাংসপিণ্ড টের পাওয়া যায় কেবল। ব্যথাহীন হওয়ায় এগুলো নিয়ে কেউ তেমন মাথা ঘামান না। তবে এসব মাংসপিণ্ড হতে পারে টিউমার। তাই শরীরে ফোলা ব্যথাহীন টিউমার থাকলে তা পরীক্ষা করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।  এমন টিউমারকে বিনাইন টিউমার বলা হয়। এগুলো লাইপোমা নামেও পরিচিত। যদিও এই টিউমার শরীরের অন্যান্য অংশকে প্রভাবিত করে না, তবুও তা উপেক্ষা করা উচিত নয়। এটি বিপজ্জনক হতে পারে। এমন টিউমারের লক্ষণ ও কারণ সম্পর্কে চলুন জেনে নিই- বিনাইন টিউমার কী? টিউমার দু’ধরনের হয়। এক ধরনের টিউমার কেবল শরীরের এক জায়গাতেই বেড়ে ওঠে। এদের বিনাইন টিউমার বলে। এমন টিউমার শরীরের তেমন একটা ক্ষতি করে না।  আরেক প্রকার টিউমারের ভেতর থাকা অস্বাভাবিক কোষগুলো রক্ত কিংবা লিম্ফ নামক কিছু রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে শরীরের অন্য অংশে গিয়ে জমা হয় এবং সেই অংশের স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত ঘটায়। এসব টিউমার এক স্থানে হলে অন্য স্থানে ব্যাপ্তি ঘটায়। এদের ম্যালিগন্যান্ট টিউমার বলে। এদের ক্যানসারস টিউমারও বলা হয়। ...

নাকের ডগায় ভরে যাচ্ছে ব্ল্যাকহেডস? কারন ও প্রতিকার জেনেনিন

Image
  সুন্দর নাকের ডগা দেখতে বেমানান লাগে, যখন তাতে কালো ও সাদা দাগ পড়ে। নাকের ডগায় এ সমস্যাকে বলে ব্ল্যাকহেডস। আপনার যদি এমন সমস্যা থেকে থাকে তাহলে নিয়মিত পরিচর্যায় ব্ল্যাকহেডস থেকে মুক্তি পেতে পারেন। ব্ল্যাকহেডস দূর করার সহজ কিছু উপায় জেনে নিন: * দিনে অন্তত দুইবার মাইল্ড কোনো ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। ত্বক যেন অতিরিক্ত তেল, ময়লা, মেকআপ, মৃত কোষ না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। * ত্বক থেকে মৃত কোষ তুলতে এক্সফোলিয়েশন জরুরি। তৈলাক্ত ত্বকে স্যালিসিলিক অ্যাসিড, গ্লাইকোলিক অ্যাসিডযুক্ত স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। এতে ভালো ফল মিলবে। * ত্বক এক্সফোলিয়েট করার পর গরম বাষ্প নিন। এতে রোমকূপগুলো উন্মুক্ত হবে এবং ব্যাকহেডসগুলো সহজেই বেরিয়ে আসবে। *লেবুর রস ও চিনি একসাথে মিশিয়ে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ব্ল্যাকহেডস এর সমস্যা অনেকটাই কমবে। লেবুর রসে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা আমাদের ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করে ব্ল্যাকহেডস দূর করে। * অনেকেই ব্ল্যাকহেডস তাড়াতে ফেসপ্যাক ব্যবহার করেন। ক্লে মাস্ক এক্ষেত্রে সেরা ফল দেয়। বাজারে বিভিন্ন ধরনের ক্লে মাক পাওয়া যায়। তারই মধ্যে একটি বেছে নিয়ে ব্ল্যা...

হাতের রেখা বলে দিচ্ছে আপনার ভবিষ্যৎ! ডান হাতে ‘M’ থাকলে যা হয়

Image
  হাতের রেখা দিয়ে মানুষের ব্যক্তিত্ব, ভাগ্য ও জীবনধারা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় বলে জ্যোতিষশাস্ত্রের ধারা রয়েছে। বিশেষ করে যে ব্যক্তির ডান হাতে ‘এম’ চিহ্ন দেখা যায়, তাদেরকে ভাগ্যবান ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, এই ‘এম’ চিহ্ন হৃদয়রেখা, মস্তিষ্করেখা এবং জীবনরেখার সমন্বয়ে গঠিত হয়। সব মানুষের হাতেই এটি দেখা যায় না, এবং যাদের হাতে থাকে, তাদের চিহ্নের স্পষ্টতা ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। পুরুষদের ক্ষেত্রে: জীবনে সম্মান ও যশ অর্জন। ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে সমাজে স্বতন্ত্র অবস্থান। জীবনসঙ্গীকে সম্মান দেওয়া এবং ভালোবাসা পাওয়া। নারীদের ক্ষেত্রে: তুলনামূলকভাবে আরও ভাগ্যবান। চালাক, সরলমনা এবং কাজে দক্ষ। আদর্শ মা হিসেবে গুণাবলী বহন। জ্যোতিষশাস্ত্র এই সব বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে, তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেন, বাস্তব জীবন ও ব্যক্তিত্ব সবসময় জ্যোতিষশাস্ত্রের পূর্বাভাসের সঙ্গে মেলে না। Countdown Timer

হাত ও পায়ে ঝিনঝিন ভাব কেনো হয়? জেনে নিন

Image
  সবাই আমরা কমবেশি কোন না কোন সময় হাত-পায়ে ঝিনঝিনে ভাব হয়। অনেক সময় মনে হয় যেন ‘সুঁই ফোটার মতো’ অনুভূতি হচ্ছে। চিকিৎসা ভাষায় একে বলা হয় পরেসথেশিয়া। অনেক সময় এটা সাময়িক আবার কখনো কখনো এটা দীর্ঘদিন ধরে চলতে পারে। এই ঝিনঝিনে ভাব যদি বারবার হয় বা অনেকদিন থাকে, তাহলে সেটা বড় কোনো শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে। হাত ও পায়ে ঝিনঝিনে ভাবের কারণ ঝিনঝিনে ভাব হওয়ার পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। কিছু কারণ সাধারণ ও ক্ষণস্থায়ী, আবার কিছু কারণ হতে পারে জটিল বা দীর্ঘমেয়াদি। চলুন জেনে নেই কী কী কারণে হাত-পায়ে ঝিনঝিনে ভাব হয়। ১. স্নায়ুতে অস্থায়ী চাপ: অনেকক্ষণ একই ভঙ্গিতে বসে থাকলে বা শুয়ে থাকলে রক্ত চলাচল কমে যেতে পারে বা স্নায়ুতে চাপ পড়তে পারে। এতে হাতে বা পায়ে ফলে ঝিনঝিনে ভাব হয়। সাধারণত একটু নড়াচড়া করলে বা হাঁটাহাঁটি করলেই এটা ঠিক হয়ে যায়। ২. স্নায়ুর ক্ষতি: অনেক সময় স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে হাত-পায়ে ঝি-ঝি ধরার মত সমস্যা হতে দেখা যায়। শরীরে যেসব সমস্যাগুলো হলে এ সমস্যা দেখা যায়- ডায়াবেটিস: রক্তে চিনির মাত্রা বেশি থাকলে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। -অতিরিক্ত মদ্যপান: এতে শরীর...

রাতে হঠাৎ-ই পিঠ ও পায়ের পেশিতে টান? জেনেনিন সমাধান

Image
  ঘুমের মধ্যে বা একটানা অনেক ক্ষণ বসে বা শুয়ে থেকে ওঠার সময়ে পিঠ ও পায়ের পেশিতে টান ধরে। ধরুন, অফিসে দীর্ঘ ক্ষণ বসে কাজ করছেন, আচমকাই পিঠের পেশিতে টান ধরল, অথবা রাতে ঘুমিয়ে আছেন, পাশ ফিরতে গিয়ে দেখলেন পিঠ ও পায়ের পেশি টান ধরে অসাড় হয়ে গিয়েছে। সে যন্ত্রণা বড় কম নয়। পেশির টান আপনা থেকেই ছেড়ে যায় বেশির ভাগ সময়ে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, অসাড় ভাবটা কেটে যাওয়ার পরেও যন্ত্রণা থেকে গিয়েছে। অনেকের আবার ঘন ঘন পিঠ, কোমর ও পায়ের পেশিতে টান ধরে। সে ক্ষেত্রে কী করণীয় জেনে নিন। পেশিতে টান ধরার অন্যতম কারণ হল শরীরে জলের পরিমাণ কমে যাওয়া। আপনি জল এতটাই কম খাচ্ছেন যে, ঘাটতি পড়ছে পেশির স্থিতিস্থাপকতায়। রাতে পাশ ফিরে শোয়ার সময়ে বা হাঁটাহাঁটির সময়ে, বসে বা শুয়ে থেকে ওঠার সময়ে পেশিতে আঘাত লাগছে। পেশিতে ল্যাকটিক অ্যাসিড জমে গেলে বা ভিটামিন ও পটাশিয়ামের অভাব হলেও ঘন ঘন পেশিতে টান ধরতে পারে। পেশিতে টান ধরলে সঙ্গে সঙ্গে আক্রান্ত জায়গায় বরফ সেঁক দিন। দ্রুত মাসাজ করে পেশিকে শিথিল করে তুলতে হবে। এমন ভাবে মাসাজ করুন যাতে জায়গাটায় চাপ পড়ে, কিন্তু ব্যথা না লাগে। গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে ভাল করে নিংড়ে ...

যে ভি’টামিনের অভাবে অতিরিক্ত ঘাম ঝরে, জেনে নিন

Image
  তীব্র গরম অথবা বাতাসে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকলে ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। সাধারণত ঘামের মাধ্যমে শরীরে জমা টক্সিন বা দূষিত পদার্থ বেরিয়ে যায়। কিন্তু ঘাম বের হওয়ারও একটা মাত্রা থাকতে হয়। অকারণে অস্বাভাবিক হারে ঘাম হলে তা জটিল কোনো রোগের উপসর্গ বলে ধরে নেওয়া হয়। শিশু বা প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঘামঝরার পেছনে ভিটামিন ডি–এর ঘাটতি একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে, বিশেষ করে মাথায় ঘাম বেশি হলে। তবে ভিটামিন ডি ঘাটতির অন্যতম লক্ষণ হিসেবে নবজাতকদের ক্ষেত্রে মাথায় অতিরিক্ত ঘামকে ধরা হয়। এছাড়া, ভিটামিন বি–এর অভাব (বিশেষ করে বি১ বা থায়ামিন) থেকেও অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে, কারণ এটি স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলে। আবার ভয়, উদ্বেগ বা আতঙ্ক থেকেও অনেক সময়ে ঘাম হয়। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব হলেই এই উপসর্গটি প্রকট হয়ে ওঠে। অতিরিক্ত ঘাম ছাড়া এই ভিটামনের অভাবে আর কী কী লক্ষণ প্রকাশ পায়? হাড়ের ক্ষয় হাড় মজবুত ও শক্তিশালী রাখতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম। যার জোগান দেয় ভিটামিন ডি। তবে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি থাকলে ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড় ভিতর থেকে ক্ষয়ে যেতে থাকে। অত্যধিক ...

আপনার আঙুলই বলে দিচ্ছে আপনি কেমন মানুষ! মিলিয়ে নিন

Image
  আপনার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে অনেক কিছু বলে দিতে পারে আপনার হাতের আঙুল! হ্যাঁ, অবাক লাগলেও সত্যি,বিশেষ করে আপনার অনামিকা (চতুর্থ আঙুল) এবং তর্জনী (দ্বিতীয় আঙুল)-এর দৈর্ঘ্য প্রকাশ করে দেয় আপনার ভেতরের ‘আপনাকে’। এই ব্যতিক্রমী বিশ্লেষণটি মূলত পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, কারণ এই দুই আঙুলের দৈর্ঘ্য অনেকটাই নির্ভর করে শরীরের টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রার ওপর। সেই অনুযায়ী পুরুষদের তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়: A, B এবং C। চলুন দেখে নেওয়া যাক, আপনি কোন ক্যাটাগরিতে পড়েন? অনামিকা যদি তর্জনীর চেয়ে লম্বা হয় আপনি হতে পারেন সেই চটপটে, স্মার্ট, আত্মবিশ্বাসী মানুষটি, যাকে সবাই একনজরে মনে রাখে। সহজেই মানুষের মন জয় করতে পারেন। তবে আপনার মধ্যে ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা একটু বেশি থাকে এবং কখনো কখনো আপনি কিছুটা আগ্রাসী হয়ে উঠতে পারেন। গবেষণা বলছে, এই ধরনের পুরুষরা সাধারণত তাদের সহকর্মীদের তুলনায় বেশি উপার্জন করেন। অনামিকা যদি তর্জনীর চেয়ে ছোট হয় এই ধরনে যারা পড়েন, তারা সাধারণত আত্মমর্যাদাশীল, নিজের মতো থাকতে ভালোবাসেন এবং ব্যক্তিগত পরিসর রক্ষায় সচেতন। অন্যদের উপর নির্ভর না করেই চলতে পারেন। তবে প্রেমের ক্ষেত্রে কিছু...

দাঁতে পো’কা ? রাতে ব্যা’থায় ঘুম আসছে না ? এই ঘরোয়া চি’কিৎসাতে দাঁতের ব্যা’থা কমিয়ে ফেলুন

Image
  কথাতেই আছে ‘দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম কেউ বোঝেনা’… একথা কতটা সত্যি সেটা তারাই বোঝেন যারা দাঁত নিয়ে কষ্ট পাচ্ছেন বা পেয়েছেন। প্রতিদিন দাঁতের যত্ন নেওয়া অবশ্যই দরকার। যেমন, সকালে দাঁত ব্রাশ করা আর রাতে শুতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশ করা খুবই দরকারি। কিন্তু অনেকেই এই নিয়ম মেনে চলেন না। তাই কষ্ট পান দাঁতের ব্যাথায়। দাঁতে ব্যাথা হবার একটি খারাপ সময়ও আছে। সেটি হল রাতে ঘুমনোর সময় বা রাতে যখন সব ডেন্টিস্ট চেম্বার বন্ধ বা সব ওষুধের দোকান বন্ধ, ঠিক তখনই দাঁতের ব্যাথা চরম আকার ধারন করে। তখন সারা রাত সেই অসহ্য ব্যাথা সহ্য করা ছাড়া কিছু করার থাকেনা। তারপর এখন এসেগেছে শীতকাল। শীতকাল সবরকম ব্যাথার জন্য খুবই সাংঘাতিক। আর সেটা যদি হয় দাঁতের ব্যাথা তাহলে তো কোন কথাই নেই। ব্যাথা যুক্ত দাঁত তুলে না ফেলা পর্যন্ত কোন রেহাই নেই। কিছু করার না থাকলে একমাত্র উপায় হল পেইনকিলার খাওয়া। কিন্তু পেইনকিলার শরীরের পক্ষে যথেষ্ট ক্ষতিকারক। তাহলে কি উপায়ে ঠিক করবেন দাঁতের ব্যাথা ? উপায় আপনার ঘরেই পাবেন। এমন কিছু জিনিস যা আপনার ঘরেই আছে, তা আপনাকে দাঁতের ব্যাথা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক সেগুল...

যে ভি’টামিনের অভাবে হাতের তালু অনবরত ঘামতে থাকে, জেনে নিন উপকারে আসবে

Image
  অনেকে আছেন যাদের হাতের তালু অনবরত ঘামে—এমনকি ঠান্ডা পরিবেশেও! এ সমস্যা শুধু অস্বস্তিকরই নয়, সামাজিক ও পেশাগত জীবনেও অপ্রত্যাশিত বিড়ম্বনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের সমস্যা অনেক সময় ভিটামিনের অভাব থেকে সৃষ্টি হয়ে থাকে। বিশেষ করে ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২–এর ঘাটতি হলে এমন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। কোন ভিটামিনের অভাবে হাতের তালু ঘামে? ১. ভিটামিন ডি (Vitamin D): ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং স্নায়ুতে অস্বাভাবিক উত্তেজনার সৃষ্টি করে। এতে শরীরের কিছু নির্দিষ্ট অংশ, বিশেষ করে তালু বা পায়ের তলা ঘেমে যেতে পারে। এছাড়া শিশুদের ক্ষেত্রে মাথার তালু ঘামাও ভিটামিন ডি-এর ঘাটতির লক্ষণ হতে পারে। ২. ভিটামিন বি১২ (Vitamin B12): স্নায়বিক ভারসাম্য রক্ষায় ভিটামিন বি১২ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর ঘাটতির ফলে হাত-পায়ে ঝিনঝিনে ভাব, দুর্বলতা, ও ঘাম হওয়া — বিশেষ করে তালুতে ঘাম — দেখা দিতে পারে। নিরামিষভোজীদের মধ্যে এই ঘাটতি বেশি দেখা যায়। ৩. ভিটামিন বি১ ও বি৬: এই দুটি ভিটামিনও স্নায়ুতন্ত্রে প্রভাব ফেলে এবং ঘাম নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ। ঘাটতি হলে হাতের তালুতে অতি...

মাত্র ১০ টাকায় অসাধারণ চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় ঢাকার এই হাসপাতালগুলোতে । নাম, ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দেওয়া হলো, যেখানে মাত্র ১০ টাকার টিকিটে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় ।

Image
  মাত্র ১০ টাকায় অসাধারণ চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় ঢাকার এই হাসপাতালগুলোতে । নাম, ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দেওয়া হলো, যেখানে মাত্র ১০ টাকার টিকিটে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় । ১. কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ঠিকানা: কুর্মিটোলা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা-১২১৬ ফোন: +880-2-55062350 ওয়েবসাইট: http://kurmitolahospital.gov.bd ২. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭ ফোন: 02-58151368, 02-48120079 ইমেইল: nins@hospi.dghs.gov.bd ওয়েবসাইট: https://www.nins.gov.bd ৩. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইএনটি (নাক-কান-গলা) অ্যান্ড হসপিটাল ঠিকানা: লাভ রোড, বেগুনবাড়ি, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮ ফোন: 02-8878155 ইমেইল: nient@hospi.dghs.gov.bd ওয়েবসাইট: https://nient.gov.bd ৪. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (DMCH) ঠিকানা: বকশিবাজার, ঢাকা-১২০৩ ফোন: 02-9668690 ওয়েবসাইট: https://www.dmc.gov.bd ৫. মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ঠিকানা: মুগদা, ঢাকা-১২১৪ ফোন: 02-7215400 ওয়েবসাইট: https://mmch.gov.bd ৬. শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ঠিকানা: শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা-...

কলার সুতার মতো অংশটি খেলে যা ঘটবে

Image
 শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পটাশিয়ামের একটি চমৎকার উৎস কলা। তাছাড়া নাস্তার জন্য খুবই ভালো একটি খাবার কলা। তবে এই কলা খাওয়ার সময় একমাত্র বিরক্তির জিনিসটি হচ্ছে, কলায় লেগে থাকা সুতাকৃতির চামড়া। যেটিকে ‘ফ্লোয়েম বান্ডেল’ নামে অভিহত করা হয়ে থাকে। খোসা ছাড়ানোর পর কলায় ফ্লোয়েম বান্ডেল লেগে থাকতে দেখা যায়। যথেষ্ট বিরক্তি সহকারে কলা থেকে এই ফ্লোয়েম বান্ডেল ফেলে দিয়ে তারপর আমরা কলা খেয়ে থাকি। এই ফ্লোম বান্ডেলগুলো খেতে সুস্বাদু না হলেও, খাওয়াটা আসলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ফেলে দিয়ে কলা খাওয়াটা আপনার উচিত হবে না, এমনটাই জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউট্রিশন রিসার্চের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ডোল নিউট্রিশন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. নিকোলাস ডি গিলিট। হাফিংটন পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরো বলেন, যদিও আমরা নির্দিষ্টভাবে ফ্লোয়েম বান্ডেল নিয়ে গবেষণা করিনি, তবে সম্ভবত এর পুষ্টিগুণের মধ্যে পার্থক্য থাকবে। যেহেতু এগুলো একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য তৈরি। কলার তুলনায় ভিন্ন পুষ্টিগুণ এতে রয়েছে বলে আশা করা যায়। ফ্লোয়েম টিস্যুর কাজের দিকে তাকিয়েই এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে ধারণা ক...

যে ভি’টামিনের অভাবে হাত-পা জ্বা’লাপো’ড়া করে, করণীয় কী? জেনে নিন

Image
 হাত-পায়ে জ্বালাপোড়ার যন্ত্রণায় কমবেশি সকলেই ভুগে থাকেন। বিশেষ করে গরমের দিনে এটি ভীষণ তীব্র আকার ধারণ করে। তবে কি কারণে এই হাত-পা জ্বালাপোড়া করে তা অনেকেই জানেন না। আসুন জেনে নেয়া যাক কী কারণে হাত-পা জ্বালাপোড়া করে- হাত-পায়ে জ্বালাপোড়ার মতো অনুভূতি অনেক কারণেই হয়ে থাকে। প্রধান কারণটি হলো স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতা। চিকিৎসাবিজ্ঞানে যাকে বলে পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি। হাত-পা জ্বালাপোড়া বা পায়ের পাতা জ্বালাপোড়া (burning sensation) হওয়ার অন্যতম কারণ ভিটামিন বি–এর ঘাটতি, বিশেষ করে: * ভিটামিন বি১ (Thiamine) * ভিটামিন বি৬ (Pyridoxine) * ভিটামিন বি১২ (Cobalamin) এই ভিটামিনগুলো স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এগুলোর ঘাটতি হলে স্নায়ু দুর্বল হয়ে গিয়ে হাত-পায়ে জ্বালাপোড়া, ঝিনঝিনে অনুভূতি, অবশভাব বা অসাড়তা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত লক্ষণ থাকতে পারে: হাত-পায়ের দুর্বলতা ভারসাম্য রক্ষা করতে সমস্যা অবসাদ বা মনমরা ভাব স্মৃতিশক্তি হ্রাস (বিশেষ করে বি১২-এর ঘাটতিতে) অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা স্নায়ুকে উত্তেজিত করে তালুতে অস্বস্তিকর জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে। ওষু...

যে দুই ভি’টামিনের অভাবে শুয়ে-বসে থাকতে ইচ্ছে হয়, জেনে নিন

Image
  সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরও অলসতা চেপে ধরে। আলসেমির কারণে কোনো কাজই করতে ইচ্ছে হয় না। শুধু মনে হয়, অফিসে-কাজকর্মে না গিয়ে দিনভর শুয়ে-বসে কাটিয়ে দিতে। উৎসাহ-উদ্দীপনায় ভাটা পড়ছে দিন দিন। এমন সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। আসলে দুটি ভিটামিনের অভাবে এমনটা ঘটে। চিকিৎসকরা বলছেন, অতিরিক্ত আলস্য, ক্লান্তি ভাব বা ঝিমুনির কারণ কিন্তু ভিটামিনের অভাব। শরীরে ভিটামিন ও খনিজের নির্দিষ্ট ভারসাম্য আছে, তা বিগড়ে গেলেই তখন পেশির ক্লান্তি বাড়ে। শরীরের দুর্বলতাও বাড়ে। কোন দুই ভিটামিনের ঘাটতিতে এমন হয় ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতির কারণে এমন হতে পারে। ভিটামিন ডি-র অভাব হলে ক্লান্তি, ঝিমুনি ও শারীরিক দুর্বলতা অনেক বেড়ে যায়। হাড়, ত্বক, চুল, নখ, মানসিক স্বাস্থ্য ইত্যাদি শরীরের সামগ্রিক সুস্থতার জন্য ভিটামিন ডি-র মাত্রা ঠিক থাকা জরুরি। ভিটামিন ডি-র অভাব হলে হাড় ক্ষয়ে যাওয়া এবং হাঁটুতে ব্যথার মতো সমস্যা দেখা যায়। হাড়, ত্বক, চুল, নখ ও মানসিক স্বাস্থ্য ইত্যাদি শরীরের সামগ্রিক সুস্থতার জন্য ভিটামিন ডি-র মাত্রা ঠিক থাকা জরুরি। ভিটামিন ডি-র অভাব হলে হাড় ক্ষয়ে যাওয়া ও হাঁটুতে ব্যথার মতো সমস্যা দেখা যায়। আবার ভিট...